তীর্থঙ্কর সুমিতের গুচ্ছ কবিতা
চাঁদ কথা
গভীর রাত ...
টুপ করে তারা খসে গেলে
প্রেমিক হওয়া যায়না
যেমন ভাবে বেঁকে গেছে নদীর পথ
তেমনই আমার রাস্তা ___
তুমি বলেছিলে কথারা পাল্টায়
আমি চাঁদকে দেখেছি একান্তে কাঁদতে
পরিবর্তন শুধু সময়ের
মুখ ফেরাও
চাঁদ বিলীন হচ্ছে ভোরের সাথে সাথে।
পেনের আঁকর
ঝুঁকে আছে মাথা ...
দিন শেষ,
রাতের দিকে ক্রমশ এগিয়ে চলি
এক পা দু পা মিলিয়ে
এগিয়ে যাই ইচ্ছার দিকে
আন্দোলনের পথে আমরা সবাই
পেনের আঁকর ___
খাতার সাদা পাতায়
স্বপ্ন আঁকি
তুমি আমি এগিয়ে চলি সবাই।
উপহার
ইচ্ছেরা আজ অনেক দূরে
কথনের মুখে দাঁড়িয়ে নদী
যেমনভাবে সাগর মেশে মহাসাগরে
বদলাক জীবনের ট্র্যাজেডি
ঝাঁকা মাথায় কারা যেনো হেঁটে যায়
ওই দূরে আমার ভারতবর্ষ
আরো দূরে দুটো শব্দ
তোমার আমার ---
একবাক্স উপহার এনেছি নেবে ?
একটা উপায় আছে
ফিরে আসার একটা উপায় আছে
মাঠ পেরিয়ে, জল পেরিয়ে
চারিদিকে অন্ধকার
আমার হাতের ওপর
যে টিকটিকিটা উঠছে ...
নিজের মত কিছু শব্দ বসালাম
প্রভৃতি মনে হয় আমরাই বলি
যখন কথার ভারে আক্রান্ত হই প্রতিমুহূর্তে
সাজানো গল্প তুলে নিই
বেদ - বেদান্ত থেকে ---
তখন তোমরা 'কেউ কথা রাখেনি' প্রবাদ বাক্য শোনাও _
আসলে সকলেই কথা রাখে শুধু সময়টা বদলে যায়।
তীর্থঙ্কর সুমিত
মানকুণ্ডু, হুগলী
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!