আবার এসেছে একুশ - মোঃ আইনাল হক

লেখক: Ashram Magazine
প্রকাশিত হয়েছে : মার্চ ২, ২০২১ | দেখা হয়েছে: ১৩৩৮ বার

বার এসেছে একুশ সময়ের আবর্তনে, সংগোপনে
অন্তঃদন্দ্ব এবং ব্যথা ভরা মনে।
রফিক, শফিক, সালাম, জব্বার, শফিউরের স্মৃতি রমথনে
শিক্ষা নয়, শুধুই স্মৃতি হয়ে; 
ভাষা শহীদদের আত্মোৎসর্গকে
মলিন করে দিয়ে। 
ভাষার জন্য আপোষহীন সংগ্রাম এবং           
আত্মোদানের ফসল একুশে ফেব্রুয়ারি 
পৃথিবীর ইতিহাস, 
অনুভূতি আর উপলব্ধিহীনতার দায়ে
বাংলা এখন শুধুই হা-হুতাশ।

চারদিক বাংলা ভাষার অপচয় এবং অপব্যবহার, 
শহীদদের আত্মা কাঁপে থরথর।
তবে কি, বৃথা যাবে তাঁদের রক্তদান?
মাতৃভাষার জন্য যাঁরা বাজি রেখেছিল জান!
বিদেশি সংস্কৃতির অবাধ চর্চায় ভাসিয়ে গা,
ভবিষ্যতের পূজারি তরুন প্রজন্ম হচ্ছে যা-তা। 
এখন আর কারো মন ভরে না
কথা কয়ে বাংলায়,
স্মার্টনেস প্রকাশে বাংলিশ তাই
অহরহ সবখানে ব্যবহৃত হয়।
হিন্দি না জানাটা খ্যাত হিসেবে 
অভিহিত হয় বর্তমান জামানায়
আমার প্রিয় বর্ণমালা কেঁদে মরে 
অনাদর অবহেলায়। 

আসবে কি সেদিন? যে দিন গেছে চলে, 
ঐতিহ্য ফিরে পাবার আহ্বান জীবনের প্রতিটি বাঁকে, 
সুদিনের প্রত্যাশায় মন মন্দিরে 
পূর্ণ বাংলার চিত্রনাট্য যাই এঁকে।
জাগো বাঙালি, হও আগুয়ান
সশ্রদ্ধায় বুকের জমিনে মাতৃভাষা করি লালন;
স্মৃতিস্তম্ভে লোক দেখানো বিচরণ নয়
হৃদয় দিয়ে করি পালন।
একুশ শুধু বছরে একবার উদযাপন নয়; 
ব্যক্তিগত, সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয় জীবনে
এর পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন চাই।
প্রয়োজন শুধু গভীর দেশপ্রেম আর
জাগ্রত বিবেকবোধ, 
অচিরেই আসবে সুদিন
বিদেশি অপসংস্কৃতির সকল পথ করে অবরোধ। 

মোঃ আইনাল হক
নওগাঁ- বাংলাদেশ

শেয়ার করুন:
মন্তব্যসমূহ (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না। যেসব ঘর পূরণ করা বাধ্যতামূলক, সেগুলোতে * চিহ্ন দেওয়া আছে।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন