আগলে রেখেছি আলো
বিকেল আর সন্ধ্যার মাঝখানে পৃথিবী আর সূর্যের সহবাস
ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে কিজানি কার অপেক্ষায়
পথ দিয়ে কত কেউ হেঁটে চলে যায়…
কেউ তাকায় না। কেউ বা না দেখার ভান করে।
অবাক হই না। চেনা-অচেনার ভিড়ে কেটে যায় সময়
মন যাকে খোঁজে তার দেখা পাই না
আকাশ ছুঁয়ে উড়ে যাচ্ছে পাখির স্বপ্ন উড়ান…
হেমন্ত শেষ হয়ে এলো, সামনের ছাতিম গাছের ফুল ঝরে পড়েছে
এখনও গাছে বাকি যা আছে তার মাদকতায়
আমার ছাই হয়ে যাওয়া প্রেম তুষের আগুনের মতো ধিকি ধিকি জ্বলছে
শূন্যে ওড়া ঘুড়ির টানে লাটাইয়ের সুতোর মতো খুলে যাচ্ছে স্মৃতি
গোধূলির আবছায়ায় অতীতের সুর এসে ঘোর লাগায়
ছাই ঘেঁটে ভেতর থেকে খুঁটে খুঁটে তুলে লুকোয় আলোর গুপ্তধন
যা শুধু আমারই।
এখন আর কেউ ফুল দিয়ে বানানো মুখোশ পরে
আমার কাছ থেকে রোদ কেড়ে নিতে পারবে না।
xxxxx
লেখিকার জন্ম নদিয়া জেলার কৃষ্ণনগর শহরে। বর্তমানে বাড়ি কলকাতায়। ছোট থেকেই সাহিত্যের প্রতি আগ্রহ। লেখালিখি- বিভিন্ন বাণিজ্যিক পত্রিকা, দৈনিক বিভিন্ন খবরের কাগজ, ভারত বিচিত্রা, জাগ্রত বিবেক, কবি সম্মেলন, কৃত্তিবাস, সৃষ্টির একুশ শতক, কবিতা পাক্ষিক, নবকল্লোল, মাতৃশক্তি, কলেজস্ট্রিট, প্রসাদ, নন্দন, কলেজ স্ট্রিট, পূর্বাশা এখন প্রভৃতি। এছাড়া শিশু-সাহিত্য পত্রিকা, বাংলাদেশের দৈনিক কাগজ, নিউ জার্সি, আমেরিকা, প্যারিস, ওয়েলিংটন, কানাডা, আসাম ও ত্রিপুরার দৈনিক কাগজে অসংখ্য লেখা প্রকাশিত, এখনো নিয়মিত লিখে চলেছে।
একক কাব্যগ্রন্থ "পাথর পাতা নদী", “প্রজাপতি রোদ”, স্বজন কার্নিশগুলো। গল্পগ্রন্থ "জীবন কুড়ানো প্রহর" এবং প্রবন্ধ "ভুলতে বসা স্মরণে" পাঠকের মাঝে সমাদৃত।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!