জহুরুল ইসলামের তিনটি কবিতা

লেখক: Ashram Magazine
প্রকাশিত হয়েছে : জানুয়ারি ১৬, ২০২১ | দেখা হয়েছে: ১০১৮ বার

সুখের অতলে
খন বাতাস গায় মাখে
এ ঝরা পাতার সুখ,
আমি হই বিভোল বাতাস;
পৃথিবীর প্রান্ত ছুঁই সবুজ দিগন্তে।

ঠাঠা রোদ্দুরে যখন হেঁটে যাই দূরে,
তখন মনের আঙিনায়
সুখ কুড়াই প্রচুর।

সুখানন্দে ভাসি- 
পূর্ণিমা রাতের মতো।
ডুবে যাই সুখে- 
সেই সুখের অতলে।

রজনী
খানে রজনী শুয়ে থাকে
রজনীর মতো।
নিশ্চিন্তে শুয়ে থাকে সে
সারারাত।
অমল চাঁদের আলো এসে
সাথী হয়,
সাথী হারা নীরব রজনী।

দেহ তার শুয়ে থাকে পৃথিবীর দেহে
ঘাসের শরীরে,
এ রজনী যেন চায় অনন্ত রজনী।

অকূল সাগরে
নোনা জলে ভেসে যাই- অলীক বন্দরে,
অবিরল ভাসি।
বুকের পাঁজর ঘেঁসে তরী ছুটে আসে,
ফেলে রেখে চলে যায় দূরে।

একরাশ নীল-
বুকের পাটার পর এসে বসে থাকে।
তবু ভেসে থাকি
দূরের পথের দিকে চেয়ে।

ঘোর অন্ধকার আসে- গোপন আকাশে, 
চাঁদের মতোন মুখ
ভেসে ওঠে- আর-
তখন সে পথ চিনে চলি
অকূল সাগরে-

জহুরুল ইসলাম
মির্জাপুর, দাপুনিয়া
পাবনা সদর, পাবনা

শেয়ার করুন:
মন্তব্যসমূহ (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না। যেসব ঘর পূরণ করা বাধ্যতামূলক, সেগুলোতে * চিহ্ন দেওয়া আছে।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন